মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটলমেন্ট অফিস

সহকারী সেটেলম্যান্ট অফিসারের কার্যালয়, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

*প্রতিটি ভূমি মালিকের Record of Rights বা স্বত্বলিপি (খতিয়ান প্রণয়ন এবং মৌজা ম্যাপ প্রস্ত্তত) সংশোধানের লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালনা করণ।

*পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ভূমি (Plot)রেকর্ড (RoR) প্রণয়ন (খতিয়ান ও মৌজাম্যাপ প্রস্ত্তত ও মুদ্রণ)

*দেশের প্রতিটি মৌজা, থানা/উপজেলা, জেলা এবং সমগ্র দেশের ম্যাপ প্রস্ত্তত ও মুদ্রণ।

*আন্তঃউপজেলা এবং আন্তঃজেলা সীমানা চিহ্নিত করণ এবং বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনকে কারিগরী সহয়তা প্রদান।

*আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিত করণ, সীমানা ষ্ট্রীপ ম্যাপ প্রস্ত্তত এবং মুদ্রণ।

*ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে এবং ভূমি সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া।

*বি.সি.এস. প্রশাসন, পুলিশ, বন ও অন্যান্য ক্যাডার এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের অফিসার গণের সার্ভে ও সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ প্রদান।

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধান অনুসারে ভূমি রেকর্ড ও জরিপের কাজ সমূহ স্বরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ড প্রণয়ন ও নক্শা প্রস্ত্তত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ জরিপের স্তরসমূহের যথা নিয়মে সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

 

 

 

সিটিজেন চার্টারঃ

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে জরিপ সংক্রান্ত আইনের বিধান অনুসরণপূর্বক মাঠ জরিপের মাধ্যমে প্রতিটি ভূমি খন্ডের স্বত্বলিপি (খতিয়ান/নক্সা) প্রণয়ন করে। একজন মহাপরিচালক(অতিরক্তি সচিব), ৩জন পরিচালক (যুগ্ম-সচিব), ৫জন উপ-পরিচালক (উপ-সচিব), ১৪জন সেটেলমেন্ট অফিসার (উপ-সচিব), ৪০জন চার্জ অফিসার(সিনিয়র সহকারী সচিব), ১জন প্রেস অফিসার সিনিয়র সহকারী সচিব, ১০ জন সদর সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার (সহকারী সচিব), ২জন সহকারী পরিচালক (১ম শ্রেনী ননক্যাডার), ২ জন সহকারী পরিচালক (১মশ্রেনী নন ক্যাডার), ২২৬ জন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার ( ২য় শ্রেনী), ৬৮২ জন কানুনগো/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/কারিগরী উপদেষ্টা (২য় শ্রেনী) সহ প্রায় ৬ হাজার কর্মকর্তা /কর্মচারী এই অধিদপ্তরে কর্মরত আছেন।

অধিদপ্তরের কার্যাবলীঃ

*প্রতিটি ভূমি মালিকের Record of Rights বা স্বত্বলিপি (খতিয়ান প্রণয়ন এবং মৌজা ম্যাপ প্রস্ত্তত) সংশোধানের লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালনা করণ।

*পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ভূমি (Plot)রেকর্ড (RoR) প্রণয়ন (খতিয়ান ও মৌজাম্যাপ প্রস্ত্তত ও মুদ্রণ)

*দেশের প্রতিটি মৌজা, থানা/উপজেলা, জেলা এবং সমগ্র দেশের ম্যাপ প্রস্ত্তত ও মুদ্রণ।

*আন্তঃউপজেলা এবং আন্তঃজেলা সীমানা চিহ্নিত করণ এবং বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনকে কারিগরী সহয়তা প্রদান।

*আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিত করণ, সীমানা ষ্ট্রীপ ম্যাপ প্রস্ত্তত এবং মুদ্রণ।

*ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে এবং ভূমি সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া।

*বি.সি.এস. প্রশাসন, পুলিশ, বন ও অন্যান্য ক্যাডার এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের অফিসার গণের সার্ভে ও সেটেলমেন্ট প্রশিক্ষণ প্রদান।

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের অধীন প্রণীত প্রজাস্বত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর বিধান অনুসারে ভূমি রেকর্ড ও জরিপের কাজ সমূহ স্বরভিত্তিক সম্পাদিত হয়ে থাকে। রেকর্ড প্রণয়ন ও নক্শা প্রস্ত্তত কাজে নিয়োজিত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সাথে সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প অফিসে অথবা উপজেলায় অবস্থিত সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে ভূমি মালিকগণ কাঙ্খিত সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ জরিপের স্তরসমূহের যথা নিয়মে সেবা প্রদানে নিয়োজিত রয়েছেন।

স্তরের নাম

 

সেবার ধরণ, বিবরণ ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবাপ্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

 

জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয় । এসময় ভূমির মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

ট্রার্ভাস

 

কোন মৌজার নক্শা সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্ত্তত করতে যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স। অতঃপর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্শা প্রস্ত্তত করা হয় । কোন মৌজার পুরোনো নক্শা অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রার্ভাস করা হয় না।

ট্রার্ভাস ক্যাম্প কর্মকর্তা/ ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

কিস্তোয়ার

 

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নক্শা অঙ্কনের মাধ্যমে কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পুরোনো নক্সা সংশোধন করেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডষ্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী

 

কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্সারপ্রত্যেকটি দাগের জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড , দলিলপত্র ও দখল যাছাঁই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ ( খানাপুরী) করেন এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিন দলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডষ্ট্রাল সার্কেল অফিসার

বুঝারত

 

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয়, যা ‘ মাঠ পর্চা’ নামে পরিচিত। পর্চা বিতরনের তারিখ নোটিশ/ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকায় মাইকিং-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরূপ সংশোধন বা পরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট (Dispute)ফরম পুরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন।

সরদারআমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডষ্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী -কাম বুঝারত

 

যখন কোন মৌজা ব্লু-প্রিন্ট সীটে জরিপ করা হয় তখন উপরে বর্ণিত খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয় ।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ ক্যাডষ্ট্রাল সার্কেল অফিসার

তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশন

 

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরে ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নক্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ (Dispute) দাখিল করতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানায় প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি (Legal Document) হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ

তসদিক অফিসার/ উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।

খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি শুনানী

 

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফর জ্ঞাত করে নির্দিষ্টতারিখ, সময ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করা হয়। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবী ‘আপত্তি আফিসারের’ নিকট উপস্থাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে রায় কেস নথিতে লিপিবদ্ধকরে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবে এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন।

সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার/ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

 

 

আপত্তির রায়ে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিষ্পত্তি করা হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

 

(ক) আবেদনপত্র

কোর্ট ফি

(খ) নকল (শব্দ)

১০.০০ টাকা

* ১ হতে ৩৬০

* ৩৬১ হতে ৭২০

* ৭২১ হতে ১০৮১

* ১০৮২ হতে ১৪৪০

* ১৪৪১ হতে ১৮০০

* ১৮০১ হতে ২১৬০

* ২১৬১ হতে ২৫২০

* ২৫২১ হতে ২৮৮০

২.৫০ টাকা

৫.০০ টাকা

৭.৫০ টাকা

১০.০০ টাকা

১২.৫০ টাকা

১৫.০০ টাকা

১৭.৫০ টাকা

২০.০০ টাকা

 

 

চুড়ান্ত প্রকাশনা

 

আপত্তির রায় প্রদানের তারিখ থেকে (আপত্তির নকল সরবরাহের সময় বাদ দিয়ে) ৩০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে তামাদীর কারণে আপীল অগ্রহণযোগ্য । আপীল স্তরের পরে প্রণীত রেকর্ড বিষয়ে কেবল মাত্র তঞ্চকতা ও করণিক ভূলের অভিযোগে সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট প্রতিকার চাওয়া যায়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

 

উপরোক্ত স্তর সমূহে কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে পর্চা ও নক্সা মুদ্রণ করা হয়। মুদ্রিত নক্সা ও পর্চা নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রকাশনা দেয়া হয়। চূড়ান্ত প্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চূড়ান্ত প্রকাশনার সময়কাল ৩০ কর্মদিবস। এ স্তরে ভূমি মালিকগণ মুদ্রিত নক্সা ও পর্চা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

ল্যান্ড সার্ভ ট্রাইব্যুনাল ও আপীলেট ট্রাইব্যুনাল

 

মৌজা রেকর্ড চূড়ান্ত প্রকাশনা সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১ বছরের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুন্যাল/দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা করা যাবে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে প্রতিকার না পেলে মহামান্য হাইকোর্টে আপীল করতে পারেন।

 

মৌজা সীমানা নিয়ে বিরোধ

 

জরিপ চলাকালীন কোন মৌজা/উপজেলা সীমান সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে সেটেলমেন্ট অফিসার খানাপুরী কাম- বুঝারত স্তরে উক্ত বিরোধ বিধিমতে নিষ্পত্তি করবেন। আন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ মহাপরিচালক, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকগণের সমন্বয়ে নিষ্পত্তি করবেন।

কারিগরী উপদেষ্টা/ সেটেলমেন্ট অফিসার

বিভিন্ন প্রকার ম্যাপ ও খতিয়ানের মূল্য নিম্নরূপঃ

ক্রমিক নং

আইটেমের নাম

নির্ধারিত মূল্য

মৌজা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৩৫০/-

মৌজা ম্যাপ (ফটোকপি)

৩০০/-

থানা ম্যাপ (মুদ্রিত)

৫০০/-

জেলা ম্যাপ(মুদ্রিত) সাদা-কালো

৫০০/-

জেলা ম্যাপ (মুদ্রিত) রঙ্গিন

৭৫০/-

বাংলাদেশ ম্যাপ (মুদ্রিত)

১২৫০/-

খতিয়ান (মুদ্রিত)

৬০/-

 

যেহেতু তথ্য প্রবাহের আধুনিকায়নের সাথে সাথে জরিপ কাজেরও (Survey and Settlement operation) আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে এবং যেহেতু বর্তমান সনাতন পদ্ধতিতে (Traditional method) প্রস্ত্ততকৃত নক্সা বহুক্ষেত্রে ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে অনাকাঙ্খিত সময় ক্ষেপন হয়, সেহেতু আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত ও ত্রুটি মুক্ত নক্সা ও রেকর্ড প্রস্ত্ততের নিমিত্ত ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ( ১৯৫১ সনের ২৮নং আইন ) এর ১৫২ ধারার আওতায় প্রণীত ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালার সপ্তম অধ্যায়ের ২৭নং বিধি দ্বারা মহাপরিচালকের উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে ঐ বিধির (i) হতে (vi) স্তরের কাজ পূর্ণবিন্যাসের উদ্দেশ্যে এতদ্বারা নিম্নরূপ নির্দেশনা জারী করা হয়েছে-

(i) প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা ১৯৫৫ এর ২৭ নং বিধির (i) হতে (vi) স্তরের কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে একই সাথে সম্পাদিত করা।

(ii) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের জরিপ শাখার দায়িত্বে প্রতিটি মৌজায় স্থায়ী জিপিএস পিলার স্থাপন করে তার স্থানাংক সমূহ(Co-ordinates) নির্ণয়ের মাধ্যমে মৌজা কিস্তোয়ার উপযোগী করা হবে।

(iii) ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত কিস্তোয়ার কাজ কারিগরীভাবে দক্ষ একজ কানুনগো/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের দায়িত্বে সম্পাদিত হবে। এ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কানুনগো/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে একদল দক্ষ কর্মকর্তা/কর্মচারী থাকবেন যাদেরকে একটি টীম বা ইউনিট হিসাবে গণ্য করা হবে। এই টীম বা ইউনিট কিস্তোয়ার সমাপ্তির পর দখলনোট, নক্শা যাচাইসহ অন্যান্য কাজ সম্পাদন করবেন।

(vi) অতঃপর তিনি (কানুনগো/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার) স্বয়ং খতিয়ান (Record of Rights) প্রস্ত্তত আরম্ভ করবেন এবং খতিয়ানে ‘তসদিককৃত’শব্দ ও নিজ নামের সীলসহ স্বাক্ষর করে খতিয়ানের ১কপি ভূমি মালিকদের বুঝিয়ে দিবেন যা তসদিক স্তরের কাজ হিসাবে গণ্য হবে। এইভাবে প্রস্ত্ততকৃত খতিয়ান ও নক্সা ৬০(ষাট) কার্যদিবস পর্যন্ত ভূমি মালিকদের দেখার জন্য ও আপত্তি দাখিলের জ্য উন্মুক্ত থাকবে।

(v) আপত্তি দাখিলের পর আপত্তি নিষ্পত্তি , আপীল নিষ্পত্তি ও চূড়ান্ত রেকর্ড প্রস্ত্তত প্রক্রিয়া যথা নিয়মে চলমান থাকবে।

বাংলাদেশের যে সব অঞ্চলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কাজ সম্পন্ন হবে সে সব অঞ্চলের জন্য এ নির্দেশনা কার্যকরী থাকবে। বর্তমান সনাতন পদ্ধতিতে (Traditional method) যেসব একলাকায় ভূমি জরিপ চলছে সেসব এলাকার জন্য উক্ত বিধিমালর ২৭নং বিধির(i)-(vi) স্তরের নিয়ম/কার্যক্রম যথারীতি বহাল থাকবে। যেহেতু ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পাদিত জরিপ কার্যক্রমে ১৯৫৫ সালের বিধিমালার ২৭নং বিধির ৬টি স্তরের কাজ একই সাথে স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে সেহেতু সেটেলমেন্ট অফিসারগণ কর্তৃক এই পদ্ধতিতে জরিপ কাজ আরম্ভের পূর্বে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক প্রচারণা ও গণসংযোগ করা হবে।

# Geographic Information System (GIS) পদ্ধতিতে ম্যাপ সংরক্ষণঃ

১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছরে গৃহীত Computer Based Khatian and Map Printing Modernization Project প্রকল্পের আওতায় সংগৃহীত কম্পিউটার ও ডিজিটাইজারের সাহায্যে প্রায় ৪ হাজার ম্যাপ ডিজিটাইজ করে কম্পিউটারে সংরক্ষন করা হয়। সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে Digital Data-র প্রচুর চাহিদা থাকায় এবং ধ্বংস প্রায় সি,এস, নক্সাকে Scan করে সংরক্ষণ করার লক্ষে প্রকল্পটিতে সংগৃহীত কম্পিউটার ও ডিজিটাইজার গুলো কার্যক্ষম করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক Flat Bed Scanner ও আনুলঙ্গিক য্ত্রপাতি সংগ্রহ করে এবং অধিদপ্তরের প্রশিক্ষিত জনবলকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে ম্যাপ সংরক্ষণসহ Map Digital Database প্রস্ত্তত করার উদ্যেগ নেয় হয়েছে।

# ওয়েব সাইট (WebSite ) গঠণঃ

সেটেলমেন্ট প্রেসে প্রস্ত্ততকৃত খতিয়ানসমূহ ভূমি মালিকদের অতি প্রয়োজনীয় ভূমি মালিকানা দলিল বিধায় একটি Web Site (www.dgdlrs.gov.bd) তৈরীর মাধ্যমে এ খতিয়ান গুলোকে ভূমি মালিকদের কাছে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কাজ করছে। ইতোমধ্যে মহানগর জরিপ-এ প্রস্ত্ততকৃত তেজগাঁও মৌজার খতিয়ান ও ম্যাপ Web Site এ প্রদর্শন করা হচ্ছে।

জরুরী জ্ঞাতব্যঃ

*ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের রেকর্ড ও নক্সা প্রণয়নের কাজ সম্পূর্ণ স্তরভিত্তিক।

*নির্ভূল রেকর্ড প্রণয়নের স্বার্থে বিভিন্ন স্তরে পৃথক কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত থাকেন।

*মাঠ পরচা সরকারী ভাবে বুঝারত-কাম -তসদিক স্তরে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়। বিবাদ, আপত্তি ও আপীলের রায়ে রেকর্ড সংশেধিত হলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ স্বাক্ষরে সংশোধিত পর্চা বিনামূল্যে সরবরাহ করবেন।

*রিভিশন/জোনাল/উপজেলা/সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডরুম থেকে আপত্তি ও আপীলের রায়ের জাবেদা নকল ছাড়া কোন পর্চা ও নক্শার সার্টিফাইড কপি/ অনুলিপি সরবরাহ করা হয় না।

*অধিদপ্তর হতে নির্ধারিত মূল্যে পূর্ববর্তী জরিপ যথ C.S/S.A/R.S জরিপের নক্শা বা পর্চা (মজুদ থাকা সাপেক্ষে) সরবরাহ করা হয়।

*জরিপ চলাকালীন বদর ফি, খতিয়ান ও নক্শার মূল্য ডিসিআর-এর মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ডিসিআর বর্হিভূত সকল লেনদেন নিষিদ্ধ এবং সুনিশ্চিত দূর্নীতির পর্যায় ভূক্ত। এরূপ অবৈধ লেনদেনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

*জরিপ কার্যক্রম বিষয়ে কোন অভিযোগ থাকলে নিম্নবর্ণিত ঠিকানায় যোগাযোগ করা যাবে

ছবি নাম মোবাইল
তপন রঞ্জন চৌধুরী 0

উপজেলা সেটলমেন্ট অফিসে বর্তমানে কোন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চলমান নেই। প্রকল্প চলমান হওয়ার সাথে সাথে আপলোড করা হবে।

সহকারী সেটেলম্যান্ট অফিসারের কার্যালয়, মসজিদপাড়া (সদর ঈদগাহ সংলগ্ন), খড়মপুর রোড, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

তাছাড়া ও সড়ক, রেল ও নদী পথে নিম্নক্ত উপায়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে।

সড়ক পথে

ঢাকাথেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুলতানপুর এসে সুলতানপুর থেকে ১০ কিঃ মিঃ পূর্বে আখাউড়া উপজেলা।

চট্টগ্রামথেকে চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুলতানপুর এসে সুলতানপুর থেকে ১০ কিঃ মিঃ পূর্বে আখাউড়া উপজেলা।

সিলেটথেকে সিলেট-ঢাকা জাতীয় মহাসড়ক পথে বিশ্বরোড, বিশ্বরোড থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুলতানপুর এসে সুলতানপুর থেকে ১০ কিঃ মিঃ পূর্বে আখাউড়া উপজেলা।

রেল পথ

ঢাকা-চট্টগ্রামরেলপথে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন।

চট্টগ্রাম-ঢাকারেলপথে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন।

সিলেট-ঢাকারেলপথে আজমপুর রেল ষ্টেশন এসে আজমপুর রেল ষ্টেশন থেকে ২ কিঃ মিঃ দক্ষিণে আখাউড়া উপজেলা।

নদী পথে

ব্রাহ্মণবাড়িয়াথেকে আখাউড়া খড়মপুর পর্যন্ত নদী পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।